সোমবার, ১ মে, ২০১৭
মুফিদ। নির বর্তন হবেনা। হারিয়ে যাবার পথে কতোদূর হাঁটলে প্রত্যাবর্তন সম্ভব বলতে পারো তুমি? কতোদূর হাঁটলে বলো আমাদের এই জুড়ে থাকা অব্যাহত থাকবে বলো। তোমাকে বলছি শুনো- তোমার চৈতন্য আমার হৃদয়ে আজও আছে বেশ তোমার চলে যাওয়াতে কখনোই হয়না কিছু শেষ।
মুফিদ। নিরলজ্জ। ★"চক্ষু লজ্জা যার মাঝে নেই"। এক কথায় যার চোখে পর্দা নেই, এই মানুষ গুলো কখন কার বন্ধু আবার কখন কার শত্রু হয় বলা মুসকিল।এরা যেদিকে গেলে লাভবান হবে সেদিকে চলে যাবে।এরা স্বার্থের জন্যে নিজের রক্তের সাথে বেঈমানি করতে এতটুকু চিন্তা করবে না।এদের কে যতই উপকার করবেন কোনো লাভ হবে না যখন স্বার্থ ফুরাবে এরা আর আপনার পাশে থাকবে না। সেই তুমি
মুফিদ। হৃদয়ে তুমি।।। কিছু স্বপ্ন,, কিছু আশা,, শেষ না হওয়া ভালবাসা নিয়ে তুমি আছো হৃদয়ের পুরোটা জুড়ে... বুনেছি হাজারো স্বপ্নের ছোট ছোট জাল,,, তুমি আমি মিলে করবো পূরণ হাতে-হাত রেখে...... মন বৃষ্টির ছন্দে মাতবে আনবে হৃদয় জুরে খুশির জোয়ার,,, মিলবে তোমার-আমার হৃদয় হবে একাকার.....
লেখকঃমুফতী,মুফিদ। কষ্টের নিরে আশার কাব্য। ভালোবাসা একটা বন্ধন। একটা গভীর সম্পর্ক। আত্মার টান। দুজনের কিছু চাওয়া-পাওয়া। , : অলিখিত কিছু অধ্যায় ! কিছু লিখিত কষ্টের কাব্য। কিছু রোমান্টিকতা ! . মাঝে মাঝে রাগ কিংবা অভিমান।মাঝে মধ্যে হাতে হাত রেখে একসাথে পথ চলা, খুনসুটি নিয়ে ব্যস্ত থাকা। সুর্যাস্ত উপভোগ করা। , কাড়াকাড়ি করে ফুচকা কিংবা অাইসক্রিম খাওয়া। : দুর-দুরান্তরে রিকশা ভ্রমণ। রিকশা ভ্রমনের সময় হাতে হাত রেখে চুমু খাওয়া। এইতো ভালোবাসা ! বেঁচে থাকুক সকল পবিত্র মনের পবিত্র ভালোবাসাগুলো।
লেখকঃমুফতী,মুফিদ। মৃত্যুও তোমাকে ভালোবাসা থেকে ফিরাতে পাটবেনা। একটি ছেলে খুব ভালোবাসত একটি মেয়েকে। একদিন তাদের খুব ঝগড়া হয়, ছেলে অনেক বার ক্ষমা চাইতে আসে।। কিন্তু মেয়েটি ফিরিয়ে দেয়।। মেয়েটিও কিন্তু ছেলেটির জন্য গোপনে কান্না করত... কিছুদিন হল ছেলেটি আর আসে না মেয়েটির কাছে...... একদিন মেয়েটির রাগ ভাংলো...ওই দিন সে নিজে গেল ছেলেটির সাথে দেখা করতে কিন্তু সে জানতে পারে একটি দুর্ঘটনায় ছেলেটি মারা যায়! মেয়েটি খুব কষ্ট পায়... সে দিন রাত অবিরাম কেঁদে যায়... সবাই তাকে সান্ত্বনা দেয়... কিন্তু কেউ তার কান্না থামাতে পারেনা! একদিন স্বপ্নে মেয়েটি দেখে, তার সেই প্রিয়তমকে সমবয়সী অনেক ছেলের সাথে স্বর্গে আছে... সেটা দেখে সে খুব খুশি হয়... কিন্তু সে এটা দেখে অবাক হয় সবারহাতে একটা জ্বলন্ত মোমবাতি আছে... কিন্তু তার প্রিয়তমর হাতের মোমবাতিটি নেভানো!! মেয়েটি তাকে জিজ্ঞেস করে, “তোমার মোমবাতি নেভানো কেন?” ছেলেটি উত্তর দিলো, “আমি যখনই মোমবাতিটি জ্বালাতে যাই, তখনি তোমার চোখের জল এটি নিভিয়ে দেয়... প্লীজ, আর কেঁদো না .... মৃত্যুর পরও আমি তোমাকেই ভালবাসি আর সারা জীবন বাসব..
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)